মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


সড়কের মোড়ে মোড়ে ঝুঁকি!

প্রকাশিত : ১১:১০ পূর্বাহ্ণ, ২২ অক্টোবর ২০২১ শুক্রবার 15 বার পঠিত

এম সোহেল প্রকাশক :

সড়ক যেখানে থাকবে নিরাপদ, সেখানে মোড় ঘুরলেই ঝুঁকি। আছে দুর্ঘটনার শঙ্কা। অনিরাপদ এমন সড়কের অন্তত ১০টি মোড় রয়েছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায়। অপরিকল্পিত সড়ক ও সেতু নির্মাণ এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন যানবাহন চালকরা।
আজ শুক্রবার জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। এ দিবস ঘিরেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়ক ঘুরে এমন চিত্র চোখে পড়েছে প্রতিবেদকের। এসময় দেখা গেছে, উপজেলা সদরের প্রবেশ মুখেই বাহেরচর-গহিনখালী নতুন সেতু। এর দক্ষিণ অংশে (বাহেরচর) সংকীর্ণ জায়গায় ত্রিমুখী একটি মোড়। সেতু থেকে যখন যানবাহন নামে, তখন বিপরীত দুই দিক থেকে চলা যানগুলো থাকে ঝুঁকির মুখে।
এর থেকে একটু পশ্চিম দিকে গেলেই উপজেলা সড়ক। ত্রিমুখী মোড় সেখানেও। একটি খালগোড়ার দিকে, আরেকটি বাহেরচরের দিকে। অন্যটি উপজেলার দিকে। মোড় ঘুরতে গেলেই চোখকান খোলা রাখতেই হবে। হর্ন না বাজালে কিংবা না শুনলেই ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। খালগোড়া বাজারের চৌরাস্তায় গেলেও একই অবস্থা।
এখানেই শেষ নয়, উপজেলা সদরের চৌরাস্তায়তো কখনো কখনো বাজে জট। একদিকে মটরসাইকেল স্ট্যান্ড, অন্যদিকে চৌরাস্তা। এ মোড় ঘুরতে শুধু যান নয়, পথচারীদেরও সতর্ক থাকতে হয়। এদিক-ওদিক থেকে মোটরসাইকেল ও নছিমন (টমটম) চলে আসে যখন-তখন। এর দক্ষিণ-পূর্বদিকে রাঙ্গাবালী থানা সড়ক। ত্রিমুখী মোড়ের একটি থানার দিকে, আরেকটি হালিমা খাতুন মহিলা কলেজের দিকে, অপরটি কেন্দ্রী ঈদগাহ মাঠের দিকে গেছে। ওই মোড় ঘুরতেও বাঁধে বিপত্তি।
এসব ব্যস্ততম সড়কের মোড়ে যান চলাচলে থাকে ঝুঁকি। স্থানীয়দের তথ্যমেত, প্রায়ই ঘটে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। মুখোমুখি হয় গাড়ি। এমন চিত্র শুধু পাঁচটি সড়কের নয়, উপজেলার অন্তত ১০টি স্থান রয়েছে। যেখানে একই সমস্যা। এরমধ্যে রয়েছেÑনেতা সালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মোড়, পুলঘাট বাজার চৌরাস্তা, মোল্লার বাজার সেতুর উত্তর পার চৌরাস্তা, ফুলখালী চৌরাস্তা ও কোড়ালিয়া চৌরাস্তা মোড়।
এ উপজেলার প্রধান যানবাহন মোটরসাইকেল। এরপরে টমটম ও অটোরিক্সা। ওইসব যান চালকরা মনে করেন, ঝুঁকিপূর্ণ মোড়গুলোর সড়ক প্রসস্থ করা দরকার। সেই সঙ্গে প্রয়োজনে গোল চত্বর করা । তাহলে নিরাপদ সড়কে, চলবে নিরাপদে যান। কমে আসবে ঝুঁকিও ।
উপজেলার বাহেরচর গ্রামের ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের চালক প্রশান্ত কুমার বলেন, ‘এই মোড়গুলো দিয়ে বাড়তি সতর্ক নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। একটু এদিক-সেদিক হলেই দুর্ঘটনা ঘটবে। নতুন ব্রিজের (সেতুর) গোড়ায় চলাচলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি। সেখানে যদি একটা গোল চত্ত¡র থাকতো, তাহলে আর কোন আতঙ্ক থাকতো না।’ কোড়ালিয়া গ্রামের টমটম চালক রায়হান হোসেন ও রুবেল বলেন, ‘অনেকগুলা মোড় আছে, গাড়ি ঘুরানোর জায়গা নাই। কোথাও কোথাও খুব সাবধানে চলাতে হয়।’
এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুল কবির বলেন, উপজেলার যেসকল সংকীর্ণ রাস্তার কথা বলছেন, সেগুলো প্রসস্থ করা প্রয়োজন। এটি আমাদের নজরেও রয়েছে। কোথাও কোথাও গোল চত্ত¡র করা দরকার। এ ধরণের কাজের প্রকল্প আসলে আমরা প্রস্তাবনা পাঠাবো।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দর্পণ বাংলা'কে জানাতে ই-মেইল করুন। আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দর্পণ বাংলা'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দর্পণ বাংলা | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি | Developed by UNIK BD