শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ব্রেকিং নিউজ
◈ রাঙ্গাবালীতে ভিটেবাড়ি ও কৃষি জমি রক্ষার দাবি পাঁচ পরিবারের ◈ রাঙ্গাবালীতে পল্লী বিদ্যুতের কাজে বাগড়া, সিন্ডিকেটের দাপট ◈ রাঙ্গাবালীতে পরকীয়ার জেরে মনির হত্যাকাণ্ড হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবি ◈ রাঙ্গাবালীতে ৩শ’ ফুট লম্বা কাঠের সেতু নির্মাণ ◈ রাঙ্গাবালীতে বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত ◈ ‘শিগগরই ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলবে’-এমপি মহিব ◈ রাঙ্গাবালীতে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক ◈ রাঙ্গাবালীতে করোনাকালীন ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান করছেন বিআরডিবি ◈ গলাচিপায় ইউনিয়ন পর্যায়ে গণ টিকাদান কার্যক্রম শুরু ◈ গলাচিপায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী পালিত

চকচকে ভবন, সেবা নেই!

প্রকাশিত : ০৯:৪৩ অপরাহ্ণ, ২৮ জুলাই ২০২১ বুধবার 24 বার পঠিত

এম সোহেল প্রকাশক :

প্রধান কর্মকর্তাই অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাই অনেকটাই কাগজ-কলমে চলমান উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম। নতুন চকচকে একটি কার্যালয় ভবন থাকলেও গবাদিপশু ও হাস-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে প্রতিকারে চিকিৎসকের পরামর্শ কিংবা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা মিলছে না। ফলে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে প্রাণী সম্পদ কার্যালয় থাকতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির চিকিৎসা মিলছে না।
জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রæয়ারি এ উপজেলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের কার্যালয়ের জন্য দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে সেখানে তেমন কার্যক্রম নেই। শুধু কাগজ আর কলমে কার্যক্রম চলছে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরে ৯টি পদের কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু এখানে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার পূর্র্ণাঙ্গ পদসহ ৭টি পদ শূণ্য রয়েছে। শুধু উপজেলা উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা অমল চন্দ্র শীল ও ড্রেসার বাবুল খান কর্মরত রয়েছে। আর কলাপাড়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান এ উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
উপজেলা সদর থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমে সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে স্থাপিত উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধান ফটকে তালা ঝুঁলছে। আশপাশে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউই নেই। কার্যক্রম চলার কোন নমুনাও সেখানে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে প্রচুর মহিষ, গরু, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগি পালন করা হয়। এরমধ্যে কমপক্ষে গরু ও মহিষ রয়েছে ৩০ হাজার। বর্ষা মৌসুমে ওইসব গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ ও হাঁস-মুরগির বিভিন্ন রোগবালাই হয়ে থাকে। তখন রোগ প্রতিকারে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা না পেলে বিপাকে পড়তে হয় মালিকদের।
উপজেলার বাহেরচর বন্দরের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদার বলেন, ‘বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে গবাদিপশু খুরাচালসহ বিভিন্ন ভাইরাস জনিত রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু চিকিৎসক না থাকায় পরামর্শ বা চিকিৎসা সম্ভব হয় না। এছাড়া ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় ঔষধও ঠিকমত পাওয়া যায় না। এছাড়া হাঁস মুরগির বিভিন্ন রোগবালাই হলেও প্রতিকার পাওয়া যায় না।’ উপজেলার তক্তাবুনিয়া গ্রামের শাহ আলম বলেন, ‘অফিস আছে, সেবা নেই। এতে লাভ কি? থাকা না থাকাতো সমানই হল।’
রাঙ্গাবালী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত কলাপাড়া প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘রাঙ্গাবালী অফিসে দুইজন কর্মরত আছে। আমাদের ম্যানপাওয়ারে (জনবল) সমস্যা। এখানে বারবার অফিসার দেওয়া হয়েছে, এখানে কাউকে আনতে পারছে না। ওখানে ভ্যাকসিনসহ সকল সেবা চালু হয়েছে। অফিসে লোক পাওয়ার কথা, কেন তাদেরকে পাওয়া গেল না আমি জিজ্ঞেস করবো। ’
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এখানে ৯জন স্টাফ থাকার কথা, আছে দুইজন। কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য আমরা বারবার লিখতেছি। মন্ত্রনালয়কে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দর্পণ বাংলা'কে জানাতে ই-মেইল করুন। আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দর্পণ বাংলা'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দর্পণ বাংলা | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি | Developed by UNIK BD