মন্টুর এগিয়ে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না বেনাপোল মেয়র, সংবাদ সম্মেলনে দাবি

অনলাইন ডেস্ক ০৪:০০, ২২ জুন ২০১৯

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টুর রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়াকে বেনাপোলের মেয়র আশরাফুল আলম লিটন মেনে নিতে পারছেন না। এ জন্য তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে একের পর এক হামলা করেই যাচ্ছেন। গত ১৩ জুন রাতেও তার ওপর বোমা হামলা হয়। তিনি মানুষের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে প্রতিবার রক্ষা পাচ্ছেন।

বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টুকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর বোমা হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও সুবিচার দাবিতে প্রেস ক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ  করেছে বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ। আজ শনিবার দুপুরে পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমামুল কবীর, শার্শা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন প্রমুখ। 

নেতৃবৃন্দ মেয়র লিটনকে জামায়াত পরিবারের সদস্য উল্লেখ করে বলেন, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বেনাপোল পৌরসভার প্যানেল মেয়র তারিকুল আলম তুহিন মেয়রের দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় মেয়র লিটন তাকে গুম করে। সে মামলা এখন ঢাকা সিআইডিতে। 

লিখিত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, মেয়র লিটন বিএনপি-জামায়াতের সদস্য দিয়ে আকুল ও রাশেদ বাহিনী গড়ে শান্ত বেনাপোলকে অশান্ত করে তুলেছে। তারা অতীতে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করেছে। যার সিসিটিভি ফুটেজ সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। বেনাপোলে সে একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী।

গত ১৩ জুন মন্টুকে হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা হামলার পর পুলিশ আকুলের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ম্যাগজিন, গুলি, ধারালো অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে। 

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, ১৪ তারিখে মন্টু বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করলেও প্রশাসন এই মামলায় এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মামলার সঠিক তদন্ত ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। 

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ