সর্বশেষ :

বেনাপোল কাস্টমসে চুরির ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

অনলাইন ডেস্ক ০৭:০০, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

 যশোরের বেনাপোল কাস্টম হাউজের লকার (ভোল্ট) ভেঙে ১৯ কেজি ৩৮৫ গ্রাম স্বর্ণ (এক কেজিতে ৮৬ ভরি স্বর্ণ) খোয়া যাবার ১০ দিন পার হলেও চুরি যাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার বা এর সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি। এ ঘটনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নতুন করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ৫ সদস্যর এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে এনবিআরের সদস্য খন্দকার আমিনুর রহমানকে।

ইতিমধ্যে কমিটির সদস্যরা তাদের কাজ শুরু করেছেন। কমিটির সদস্য করা হয়েছে কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট যশোরের কমিশনার মো. জাকির হোসেন, যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক, বেনাপোল কাস্টমের কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী ও অতিরিক্ত কমিশনার ড. নিয়ামুল ইসলামকে।

গত ৮, ৯ ও ১০ নভেম্বর সরকারি ছুটি থাকায় অফিস বন্ধ ছিল। এ তিনদিনের মধ্যে যেকোনো দিন চোর চক্র বেনাপোল কাস্টমের লকার থেকে ১৯ কেজির বেশি স্বর্ণ নিয়ে যায়। এ সময় সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। চুরির ঘটনা অনুসন্ধানে কাস্টম ৫ সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করে। যার প্রধান করা হয় বেনাপোল কাস্টমের যুগ্ম কমিশনার শহিদুল ইসলামকে। 

কমিটির সদস্য কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট যশোরের কমিশনার মো. জাকির হোসেন জানান, অধিকতর তদন্তের জন্য আমাদের দুই সপ্তাহের সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার থেকে আমরা তদন্তকাজ শুরু করেছি’। 

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, খোয়া যাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার বা চোর চক্রকে পুলিশ আটক করতে পারেনি। চুরির ঘটনায় বেনাপোল কাস্টম হাউজের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, একজন সিপাইসহ ৭ জনকে জিজ্ঞাসবাদের শেষে কাস্টম কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমের যুগ্ম কমিশনার ও প্রথম তদন্ত কমিটির প্রধান মো. শহীদুল ইসলাম জানান, তদন্তকাজ অব্যাহত রয়েছে। সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ